পার্ট-১
কোম্পানি প্রোফাইল
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)
বিএসসিপিএলসি (পূর্বে বিএসসিসিএল)
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীনে একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি। ২০০৮ সালের
জুলাই মাসে বিটিটিবি (BTTB,
মূলত টিএন্ডটি) ভেঙ্গে দুইটি পৃথক কোম্পানি গঠিত হয়—বিটিসিএল (BTCL)
ও বিএসসিসিএল, যা পরবর্তীতে বিএসসিপিএলসি নামে
পরিচিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএসসিপিএলসি দেশের সাবমেরিন ক্যাবল পরিচালনা ও
রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছে এবং আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি নেটওয়ার্কের সাথে
বাংলাদেশকে সংযুক্ত রেখেছে।
প্রাথমিকভাবে SMW4 সাবমেরিন
ক্যাবলের মাধ্যমে ৭.৫ Gbps ব্যান্ডউইডথ নিয়ে যাত্রা শুরু
হলেও, পরবর্তীতে SMW5 (২০১৭) সংযুক্ত
হয়ে দেশের আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে
বিএসসিপিএলসি-এর মোট সক্ষমতা প্রায় ৭২২০ Gbps, যা ভবিষ্যতে
আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রাখে।
দেশের ক্রমবর্ধমান ব্যান্ডউইডথ
চাহিদা এবং প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের আয়ুষ্কাল ২০৩০ সালে শেষ হওয়ার কথা বিবেচনায়, SMW6 প্রকল্প
গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক রুটে প্রায় ৩০,০০০ Gbps সক্ষমতা যুক্ত হবে এবং আশা করা হচ্ছে ২০২৬
সালের শেষ নাগাদ এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক সেবা চালু হবে।
বিএসসিপিএলসি বর্তমানে শেয়ার
মার্কেটে তালিকাভুক্ত
(IPO করা) এবং বাংলাদেশের জনগণ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শেয়ার কেনা
যায়। এর মালিকানা কাঠামো নিম্নরূপ:
- ৭৭% বাংলাদেশের সরকার
- ১৭% বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান/ইনস্টিটিউট
- ০.০৮% বিদেশি বিনিয়োগকারী
- ৫.৭৬% সাধারণ জনগণ
বিএসসিপিএলসি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি
অবকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কে সংযোগ রক্ষা ও
সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
[বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ https://bscplc.gov.bd/pages/static-pages/6922dcef933eb65569e12cf4 ]
পার্ট-২
কোম্পানি গ্রোথ ও ভবিষ্যৎ
প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে কোম্পানি
লাভজনকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে কোম্পানির গড়ে বার্ষিক আয় প্রায় ৪০০–৫০০ কোটি
টাকা, যদিও এর বড় অংশ মেইনটেনেন্সে খরচ হয়। তবুও কোম্পানি স্ব-অর্থায়নে প্রজেক্ট
করছে, যার মূল্য প্রায় ১২০০ কোটি টাকা, এবং এর মধ্যে সিঙ্ঘভাগ, প্রায় ৮০০ কোটি টাকা
কোম্পানি নিজেই দিচ্ছে।
গ্রেড-৬ (Assistant Manager) এর বেতন কাঠামো নিম্নরূপ: বেসিক ৩২,০০০ টাকা,
বাসা ভাড়া ১৬,০০০ টাকা, চিকিৎসা
ভাতা ৪,৩৭৫ টাকা, যাতায়াত ৪,৫০০ টাকা এবং মোবাইল ভাতা ১,২০০ টাকা। মোট বেতন
দাঁড়ায় ৫৮,০৭৫ টাকা। সরকারের দেওয়া ১০% প্রণোদনা এবং
কোম্পানি পেনশন ফান্ডে ১০% প্রদান করে। বছরে ৬% ইঙ্ক্রিমেন্ট থাকে। কোম্পানি লাভ
করলে আইন অনুযায়ী প্রফিট শেয়ার করা হয়, তবে এটি নির্ভর করে
কোম্পানি কতটা লাভ করছে নাকি মেইনটেনেন্স ও প্রজেক্ট চালাতে খরচ হচ্ছে তার উপর।
চাকরিজীবনে প্রমোশনের মাধ্যমে উচ্চ গ্রেডে উন্নীত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। কোম্পানির
নিজস্ব ট্রান্সপোর্ট সুবিধা গ্রেড-১ থেকে গ্রেড-৩ পর্যন্ত পাওয়া যায়; অন্যান্যকে প্রয়োজনমতো পেমেন্টের মাধ্যমে ট্রান্সপোর্ট প্রদান করা হয়।
এখানে পেনশন সুবিধা নেই, তবে ২৫ বছর চাকুরি করলে গ্র্যাচুইটি
হিসেবে বেসিক × ২৫ × ২ প্রদান করা হয়।
প্রিপ্রফিডেন্ট ফান্ডে জমা অর্থও যুক্ত হয়, যা সাধারণত
এক/দেড় কোটি টাকার কাছাকাছি হতে পারে, এবং সময়ের সাথে বৃদ্ধি
পেতে পারে, তবে কোম্পানির ফিনানশিয়াল কন্ডিশনের উপর নির্ভর
করে।
পোস্টিং সাধারণত চারটি স্থানে হতে
পারে: প্রধান কার্যালয়,
ঢাকা; আইআইআইজি ইউনিট, ঢাকা;
কক্সবাজার ল্যান্ডিং স্টেশন; এবং কুয়াকাটা
ল্যান্ডিং স্টেশন। প্রধান কার্যালয়ে সাধারণত সপ্তাহে ৫ দিন ডিউটি থাকে, শুক্র-শনি ছুটি থাকে, এবং অন্যান্য স্থানে রোস্টার
ডিউটি অনুযায়ী দিনে ৩টি রোস্টারের যেকোন একটি করতে হয়। ল্যান্ডিং স্টেশনে কাজের
চাপ কম হলেও সময় এবং সুযোগ বেশি, যেখানে মূলত টেকনিক্যাল কাজ
করা হয়। প্রধান কার্যালয়ে কাজের চাপ তুলনামূলক বেশি।
গ্রেড-৬ থেকে গ্রেড-৫ (Deputy Manager) প্রমোশন
সাধারণত ৫ বছরে হয়, তবে ল্যান্ডিং স্টেশনে কমপক্ষে দুই বছর
চাকুরি বাধ্যতামূলক। একইভাবে গ্রেড-৫ থেকে গ্রেড-৪ (Manager) প্রমোশনের ক্ষেত্রেও ল্যান্ডিং স্টেশনে দুই বছর চাকুরি প্রয়োজন। শুরুর
দিকে সাধারণত প্রধান কার্যালয়ে পোস্টিং দেওয়া হয়, তবে যারা
ক্যারিয়ার শর্ট-টাইম বা সরকারি পরীক্ষার প্রস্তুতি করতে চায়, তারা ল্যান্ডিং স্টেশনে আসার সুযোগ পায়। স্টেশনে সময় বেশি পাওয়া যায়,
তাই প্রিপারেশন চালানো সহজ হয়।
আমাদের ব্যাচের ৮ জনের মধ্যে একজন
এডমিনে গেছে, একজন রেল ক্যাডারে এবং একজন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে। আগের ব্যাচ থেকে কেউ
বাংলাদেশ ব্যাংকে, কেউ আমেরিকায় এবং কেউ এডমিনে গেছে।
প্রতিবছর কোম্পানি ৬–৮ জন নিযুক্ত করে, এবং যারা অন্য
পরিকল্পনা বা সরকারি পরীক্ষার প্রস্তুতি চালাচ্ছে, তারা
স্টেশন থেকে দ্রুত সরকারি চাকরিতে স্থানান্তরিত হয়।
কোম্পানি বর্তমানে প্রায় মনোপলির
মতো অবস্থানে আছে। করোনার পর বিক্রয় দ্বিগুণ হয়েছে। প্রাইভেট সাবমেরিন লাইসেন্স
পাওয়ায় কেউ চলে গেলে কোম্পানির সেল প্রায় অর্ধেক কমে যেতে পারে। প্রমোশন ধীরগতি
হলেও কোম্পানির গ্রোথ ও স্থিতিশীলতা চাকরির জন্য আকর্ষণীয়।
পার্ট-৩
প্রমোশন স্কোপ
২০১৮ সার্ভিস রুলস অনলাইন এ এভেইলেবন
(লিংক)।
যে কেউ দেখে নিতে পারেন। বর্তমানে এখানে নিচের মতন অবস্থায় আছে (০১ এপ্রিল ২০২৬)
|
পদবি-গ্রেড |
অর্গানোগ্রাম
অনুসারে পদসংখ্যা |
মোট কর্মরত |
প্রেষনে কর্মরত |
শূন্য পদ সংখ্যা |
|
|
নন-টেকনিক্যাল |
টেকনিক্যাল |
||||
|
এমডি-১ |
১ |
১ |
১ (টেলিকম ক্যাডার) |
০ |
০ |
|
জিএম-২ |
৪ |
৩ |
৩ (টেলিকম ক্যাডার) |
০ |
১ |
|
ডিজিএম-৩ |
১২ |
৬ |
১ |
১ |
৪ |
|
ম্যানেজার-৪ |
১৭ |
১৫ |
০ |
১ |
১ |
|
ডিএম-৫ ও সমতূল্য |
২০ |
১৪ |
০ |
২ |
৪ |
|
এম-৬ ও সমতূল্য |
৩১ (২৩+৮) |
১৩ |
০ |
৫ |
১৩ |
|
ড্যাম-৭ |
১৪ |
১০ |
০ |
২ |
২ |
এ থেকে বোঝা যায়, এম-গ্রেড-৬ থেকে
প্রমোশন পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা লাগতে পারে। তবে যেহেতু ফিনানশিয়াল বেনেফিট ভালো এবং
টেলিকম সেক্টরে কম্পিটিশন তুলনামূলকভাবে কম, তাই অনেকে এখানে
ক্যারিয়ারকে শর্ট-টাইম স্কেপ রোড হিসেবে বিবেচনা করে। চাকরি বাজার সংকীর্ণ
হলেও এবং অনেক নিয়োগ ঝুলে থাকলেও, এখানে ফেয়ার প্রক্রিয়ায়
নিয়োগ হওয়ায় চেষ্টা করা যায়।
এছাড়া কক্সবাজার বা কুয়াকাটায়
চাকুরিকালীন সময় কারোর জীবনে খারাপ প্রভাব পড়ে না। আমি নিজেও চার বছরের কাছাকাছি
সময় ঢাকায় চাকুরি করে কক্সবাজারে পোস্টিং পেয়েছি এবং মনে হয়েছে এটি জব লোকেশনের
জন্য ভালো জায়গা। তবে প্রত্যেকের নিজের পরিকল্পনা আলাদা থাকে, তাই তা অন্য কেউ
পরিবর্তন করতে পারবে না।
পার্ট-৪
সহকারী ব্যবস্থাপক (গ্রেড-৬) প্রিপারেশন এবং জব
এনভায়রনমেন্ট
প্রথমেই বলে রাখা ভালো, গ্রেড-৬/৭ এর
নিয়োগ এখন পর্যন্ত কোম্পানির ইতিহাসে যেকোনো সময়ে বুয়েট (সর্বাধিক), ঢাবি-আইবিএ বা ডুয়েট থেকে হয়েছে। ডুয়েটের রেপুটেশন ডিপ্লোমাদের আন্দোলন
এবং সমসাময়িক ঘটনার পর থেকে একদম তলানিতে নেমেছে, বোর্ড সহজে
রাজি হয় না। তবে এক্সামটি একদম নীট এবং ক্লিন হয়।
প্রথমে আসি প্রশ্নপ্যাটার্ন ও
মানবন্টন নিয়ে। বুয়েট প্যাটার্ন অনুসরণ করলে যে কারো পক্ষেই পরীক্ষা উত্তীর্ণ
হওয়া সম্ভব। সাধারণভাবে ১০০% মার্ককে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: ৫০–৬০% টেকনিক্যাল এবং
৪০–৫০% নন-টেক। নন-টেক অংশ সবার জন্য কমন হয়, যেখানে বাংলা, ইংরেজি,
গণিত, মানসিক দক্ষতা, সাধারণ
জ্ঞান, সাম্প্রতিক বিশ্ব এবং কোম্পানির প্রোফাইল অন্তর্ভুক্ত
থাকে।
টেকনিক্যাল অংশের জন্য বুয়েট
সাধারণত আলাদা সেট তৈরি করে: ইলেকট্রিক্যাল+ইলেকট্রনিক্স, সিএসসি, এবং নতুন করে সিভিলের জন্য। ডিপার্টমেন্টাল প্রশ্নের জন্য সাধারণত পাওয়ার
সেক্টর ফলো করলে হয়। তবে মেশিন বা পাওয়ার সিস্টেম এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে। এখানে
জেনারেটর (৪০০/৫০০) চালানো, রেক্টিফায়ার, ব্যাটারি সেট, ইনভার্টার ইত্যাদি পরিচালনার জ্ঞানও
লাগবে। মাঝে মাঝে সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেমও অন্তর্ভুক্ত হয়; ন্যূনতম
জ্ঞান থাকা আবশ্যক। ডিডব্লিউডিএম টেকনোলজি এবং আইপি সম্পর্কিত ছোট প্রশ্নও থাকতে
পারে, যেমন কোন আইপি দিয়ে কতটি ব্যবহারযোগ্য ঠিকানা পাওয়া
যাবে বা সাবনেট মাস্ক বের করতে বলা।
বুয়েট প্যাটার্ন সাবমেরিন বা
বিএসসিপিএলসির ক্ষেত্রে প্রায় একইভাবে প্রযোজ্য। সিএসসি প্রিপারেশনের জন্য
প্রোগ্রামিং অবশ্যই লাগবে;
ইলেকট্রিক্যাল প্রিপারেশনের জন্য ছোট প্রোগ্রামিং এবং ডিজিটাল লজিক
সাবজেক্টও বাদ দেওয়া যাবে না। পাওয়ার সিস্টেম সেন্ট্রিক প্রিপারেশন করলে
তুলনামূলকভাবে সহজ হয়। যারা নন-টেক এক্সাম দেয়, তাদের
ক্ষেত্রে সাধারণভাবে সরাসরি প্রশ্ন আসে। স্পেসিফিক সাবজেক্ট থাকলে, যেমন নিরীক্ষা বা বানিজ্য, সাবজেক্টিভ প্রশ্নের
সম্ভাবনা বেশি।
রিটেন এক্সামের পরে ভাইবারের জন্য
১০–৩০% মার্ক থাকতে পারে,
যা রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে ৫–১০% হতে পারে। তবে সব কিছু বোর্ডের
নিয়োগ সম্পর্কিত কমিটির সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। এক্সাম ও ফল প্রকাশের পরে
সম্মতি পত্র জমা দিতে হয়। যেহেতু এটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সমান নিরাপত্তা থাকে, তাই
পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়। ভেরিফিকেশনের ফল আসার পরে বোর্ড অনুমোদন দিলে নিয়োগপত্র
প্রদান করা হয় এবং নিয়োগ প্রাপ্ত হয়। এক বছর শিক্ষানবীনকাল সেভাবে ট্রেনিং হয় না;
বড় কোনো অপরাধ না করলে এক বছর পর চাকুরি স্থায়ী হয়ে যায়।
সহকারী বা উপব্যবস্থাপক পদে
কলিগরা সাধারণত বুয়েট,
কুয়েট, রুয়েট, চুয়েট,
আইইউটি, ঢাবি বা সাস্ট থেকে। এই লেভেলে পরিবেশ
সাধারণত ফ্রেন্ডলি। অন্য লেভেলে যেমন বর্তমান MD রুয়েটের,
GM দুইজন বুয়েটের একজন চুয়েটের, DGM ও
ম্যানেজার বুয়েট, কুয়েট, রুয়েট ও চুয়েট
এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের।
বাঙলাদেশের সব জবেই কিছুটা
টক্সিসিটি থাকে, তবে এখানে চিন্তার কিছু নেই। আগে কখনো কিছু হয়নি এবং বিসিআইসি বা অন্যান্য
প্রতিষ্ঠানে অনেক জায়গায় ডিপ্লোমা বসেছে উচ্চ গ্রেডে। এখানে মানসিকতা রাখতে
হবে—তুমি তোমার গ্রেড অনুযায়ী সুযোগ পাবে। তাই চিল ও ওয়েলকাম টু টেলিকম সেক্টর।
গ্রেড-৬/৭ এর প্রিপারেশনের জন্য
বুয়েট প্যাটার্ন ফলো করলে খুব কার্যকর হয়। নন-টেক অংশ সহজ, টেকনিক্যাল অংশে
পাওয়ার সিস্টেম, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স এবং সাবমেরিন
ক্যাবল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। আইপি, সাবনেট, ডিডব্লিউডিএম, জেনারেটর, ব্যাটারি,
ইনভার্টার, রেক্টিফায়ারসহ সব বিষয় থাকতে পারে।
কিছু টপিক সম্পর্কিত
আইডিয়া নিম্নরূপঃ
|
Amplitude Modulation |
DSB-WC |
generation, detection, formulas,
comparison |
|
|
DSB-SC |
|
|
|
SSB-WC |
|
|
|
SSB-SC |
|
|
|
QAM |
|
|
|
VSB |
|
|
Angle Modulation |
FM |
generation, detection, formulas |
|
|
PM |
|
|
|
|
|
|
Pulse Code Modulation |
PCM |
sampling, Nyquist Theorem, Shannon's
Capacity Theorem, |
|
|
|
Quantization, Quantization Noise
Error |
|
|
|
|
|
Delta Modulation |
DM |
slope overload, granular noise |
|
|
|
|
|
Line Coding |
|
Unipolar NRZ,
Polar NRZ, Unipolar RZ, Bipolar RZ |
|
|
|
Split/Manchester, Differential
Manchester coding |
|
|
|
|
|
Digital Modulation |
BASK |
generation, detection, bandwidth |
|
|
BFSK |
|
|
|
BPSK |
|
|
|
DPSK |
|
|
Multiplexing Techniques |
TDM |
Block diagram |
|
|
FDM |
|
|
|
CDM |
|
|
|
Joint TDM & FDM |
|
|
|
WDM |
|
|
DLD (Digital Logic Design) |
|||||||
|
1. Design AND, OR, NOT logic gate
using CMOS/NMOS/PMOS |
|||||||
|
2. Flip-Flop, Registers, Counter
circuit (Block Diagram, Truth Table, Timing Diagram) |
|||||||
|
3. Implement AND, OR, NOT gate using
universal NAND/NOR gate |
|||||||
|
4. Transmission gate |
|||||||
|
5. Boolean Algebra |
|||||||
|
6. K-map |
|||||||
Signals
& System; Digital signal processing; Microelectronics Circuit: Diode,
MOSFET, BJT, FET etc; DC/AC Circuit
Networking:
IP Related, Subnet Mask Related, Network Layer etc; Programming: Basic Program;
Power System Protection; Control System; Communication; DC-DC converter : BUCK,
BOOST, BUCK-BOOST- only circuit + input-output characteristic equation; single
phase half wave controlled rectifier- SCR;
জীবনের অনেক বিষয় আমাদের ভাবায়।
জীবন সবসময় নিজের মতো করে পথ দেখায়। রিজিকের মালিক আল্লাহ—কার রিজিক কোথায়
নির্ধারিত, তা কেউ জানে না।
ডকুমেন্টটিতে বানান ভুল থাকতে
পারে, এজন্য দুঃখিত। এটি শুধুমাত্র সাধারণ একটি গাইডলাইন। সবার জন্য শুভকামনা।
জিকরুল সাঈদ
কুয়েট, ইইই, ২ক১৫
Download PDF: Click Here
Comments
Post a Comment